অর্হৎ বিভ্রান্তি এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট

Smiley face

বর্তমান সময়ে অর্হৎ নিয়ে নানা ধরণের বিভ্রান্তি পাওয়া যায় বৌদ্ধ সমাজে। বিংশ শতাব্দীতে মায়ানমারে একজন অর্হৎ এর দৃষ্টান্ত আমরা তুলে ধরতে পারি যাঁর নাম উঃ বিমল মহাথের. মোগোক স্যাদো নামেই তিনি খ্যাতিমান ছিলেন। তাঁর দাহক্রিয়া শেষে প্রাপ্ত ধাতুই প্রমাণ করে দিয়েছিল তিনি বিংশ শতাব্দীর অর্হৎ ছিলেন।সম্প্রতি তাঁর জীবন নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে “আলোকিত মহাজীবন মোগোক স্যাদো” নামক গ্রন্থ। গ্রন্থটির ভূমিকায় বর্তমান সময়ে অর্হৎ নিয়ে নানা বিভ্রান্তি সম্পর্কে কিছুটা সম্যক জ্ঞান প্রদান করেছেন সংযুক্ত নিকায়, বিভঙ্গ, পট্ঠান (২য় খন্ড) সহ প্রভৃতি ত্রিপিটক খন্ডের অনুবাদক উত্তর জলদী প্রজ্ঞাদর্শন মেডিটেশন সেন্টারের পরিচালক ভদন্ত জ্ঞানেন্দ্রিয় স্থবির। তাঁরই কিছু চুম্বকীয় অংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল-গ্রন্থনা করেছেন ইলা মুৎসুদ্দী ও অঞ্জন সিংহ প্রভাত।

বর্ত মান গ্রন্থে একজন মৃত্যুঞ্জয়ী মহাপুরুষের জীবনী ফুটে উঠেছে। একজন অরহতের সাদাসিদে জীবন প্রণালী, ধর্মপ্রেম, নির্মল অন্তরের প্রতিচ্ছবি, দুঃখগ্রস্ত মানবের প্রতি করুণাপূর্ণ উপদেশ, ত্রিপিটক শিক্ষা প্রদান, অভিধর্ম দেশনা ও বিদর্শন অনুশীলনে উদ্বুদ্ধকরণ ইত্যাদি উনার জীবনের নৈতিক দিকগুলোই ফুটে উঠেছে লেখকের ক্ষুরধার লেখনিতে।

স্যাদোর জ্ঞানসম্প্রযুক্ত অবস্থায় সর্বকার্য সম্পাদন, সজ্ঞানে পরিনির্বাণ লাভ, পরিনির্বাণের পর মৃতদেহে পচনরোধী ঔষধ প্রয়োগে ডাক্তারদের ব্যর্থতা, তথাপি মৃতদেহের অবিকৃত অবস্থা সত্যিই প্রকৃত অরহতের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বহন করে। পরিনির্বাণের মাত্র দুই ঘন্টা পূর্বের ছবিতে মোগোক স্যাদোর আলোকিত জ্যোতির্ময় মুখমন্ডলে যে অনাবিল প্রসন্নতা ফুটে উঠেছে তা তো দুঃখস্কন্ধের চির নিবৃত্তির আশু ইঙ্গিত প্রকাশ করে।

তথাপি পরমপূজ্য মোগোক স্যাদো যে অরহত ছিলেন সে বিষয়টি উনার জীবদ্দশায় অপ্রকাশিত ছিল। স্যাদোর পরিনির্বাণের পর যখন মৃতদেহে অগ্নিসংযোগ করা হয় তখন স্যাদোর শারীরিক ধাতু পাওয়ার পর বিষয়টি জনসমাজে প্রকাশিত হয়।

তথাগত অরহত সম্যকসম্বুদ্ধ জনশ্রুতিকে অন্ধভাবে বিশ্বাস না করার জন্য বলেছন। অনুমান নির্ভর হয়ে কোন মতবাদ গ্রহণ বা বর্জন করতে নিষেধ করেছেন (অঙ্গুত্তর নিকায়, তিক নিপাত ৬৬নং সূত্র)। বুদ্ধ আরো বলেছেন-সম্যকভাবে জ্ঞাত না হয়ে, অনুসন্ধান না করে নিন্দনীয়ের প্রশংসা করলে; প্রশংসনীয়ের নিন্দা করলে; নিরানন্দ যোগ্য বিষয়ে আনন্দ প্রকাশ করলে; আনন্দিত হবার বিষয়ে নিরানন্দভাব প্রকাশ করলে নিঃসন্দেহে নিরয়গামী হয় (অঙ্গুত্তর নিকায়, চতুর্থ নিপাত, ৮৩নং সূত্র)।

অথচ বর্তমানে বঙ্গীয় বৌদ্ধ সমাজে কিছু কিছু ব্যক্তি কোন ভিক্ষুর বা সাধকের কল্পিত অলৌকিক কাহিনী লোকমুখে শুনে অন্ধভাবে তাকে অরহত বলে বিশ্বাস করছেন এবং সেই ভ্রান্ত-ধারণা জনসমাজে প্রচারের জন্য পুস্তক-পুস্তিকা, পত্র-পত্রিকা, ম্যাগাজিন-সাময়িকী, ব্যানারে ফলাও করে প্রকাশ করছেন। অবশ্য এই প্রচারে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক দূরভিসন্ধিও কাজ করে থাকে। অন্ধভক্তরা যখন তাদের গুরুকে অরহত, মার্গলাভী, ফললাভী, আর্যশ্রাবক, আর্যপুরুষ বলে প্রচারে ব্যস্ত তখন উক্ত উপাধিধারীগণের প্রতি অপ্রসন্ন অশ্রদ্ধ ব্যক্তিরা ব্যস্ত থাকেন উনাদের নিন্দা রটনায়। এতে করে ভক্ত-অভক্তদের মধ্যে চলতে থাকে পরষ্পর নিন্দারোপ, হিংসাবিদ্বেষ, দলাদলি, তর্কাতর্কি, রেষারেষি। ফলে উভয় দলের মধ্যে নিয়মিত পাপই সঞ্চয় হচ্ছে। এতে উভয়দলই হচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত। পুণ্য করতে গিয়ে বিপুল পরিমাণে পাপ সৃষ্টি করা কোন জ্ঞানী ব্যক্তির লক্ষণ হতে পারে না।

কবির ভাষায় বলতে হয়-

“ধর্মের বেশে মোহ এসে যাকে ধরে;

অন্ধ সেই জন মারে আর মরে।”

কল্পিত অলৌকিক কাহিনী শুনে যারা তাদেরকে প্রকৃত অরহত বলে মনে করেন সেই ভ্রান্ত বিশ্বাসীদের উচিত জ্ঞানপূর্বক বুদ্ধবাণী ত্রিপিটক অধ্যয়ন করা। কারণ বুদ্ধবাণী সম্পর্কে সম্যক ধারণা না থাকায় তারা বিভ্রান্ত হচ্ছেন। শমথ ভাবনার মাধ্যমে চতুর্থ ধ্যান লাভ করে অলৌকিক ঋদ্ধি হয়ত কেউ অর্জন করতে পারেন কিন্তু তাতে তো আর লোভ-দ্বেষ-মোহ সম্পূর্ণরুপে ক্ষয় করে অরহত্ব লাভ করতে সক্ষম হবেন না। একমাত্র শুদ্ধ বিদর্শন চর্চায় অবিদ্যা-তৃষ্ণাকে সম্পূর্ণভাবে ক্ষয় করতে পারলে অরহত্ব লাভ সম্ভব। এটা অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে ঋদ্ধি ও লোকোত্তর অরহত্ব ফল এক বিষয় নয়। প্রকৃত জ্ঞানের অভাবে অনেক সাধক অধিমান বশতঃ নিজেকে অরহত বলে মনে করে থাকেন। যদিও তারা প্রকৃত অরহত নন। ভ্রান্ত বিশ্বাসীদের ভ্রম অপনোদনের জন্য অভিধর্ম পিটকের বিভঙ্গ অর্থকথায় বর্ণিত সেরকম একটি ঘটনা নিম্নে তুলে ধরা হলো-

তলঙ্গর বিহারে ধর্মদিন্ন স্থবির অবস্থান করতেন। তিনি ছিলেন প্রতিসম্ভিদাপ্রাপ্ত অরহত এবং বহু ভিক্ষুশিষ্যের উপদেষ্টা। একদিন তিনি নিজের দিবাবিহার স্থানে বসে চিন্তা করতে লাগলেন-“আমাদের আচার্য উচ্চ কলিকাবাসী মহানাগ স্থবির শ্রমণকৃত্য সমাপ্ত করেছেন নাকি করেননি?” এ বিষয়ে চিন্তা করার সময় তিনি জ্ঞাননেত্রে দেখতে পেলেন -“আমি যদি না যাই তবে তিনি পৃথকজন অবস্থায় ক্লেশযুক্ত হয়ে দেহত্যাগ করবেন।” অতঃপর তিনি ঋদ্ধির প্রভাবে আকাশপথে আচার্যের দিবাবিহার স্থানে উপনীত হলেন এবং আচার্যকে অভিবাদন করতঃ একপাশে বসলেন। তখন আচার্য উনাকে জিজ্ঞেস করলেন-“আবুসো! অকালে কেন এসেছ? ” ধর্মদিন্ন স্থবির বললেন- “প্রভু! আপনাকে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে এসেছি।” আচার্য বললেন-“জিজ্ঞেস কর, জানা থাকলে যথাযথ উত্তর দেব।” আচার্যের আদেশ পেয়ে ধর্মদিন্ন স্থবির সহ¯্র প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে শুরু করলেন। প্রশ্ন করা মাত্রেই সেসবের যথাযথ সদুত্তর পেলেন। অতঃপর স্থবির আচার্যকে বললেন- “ভদন্ত! আপনার জ্ঞান অতিশয় তীক্ষè, আপনি এই ধর্ম কখন লাভ করেছেন?” তিনি তদুত্তরে বললেন- আমার ষাট বৎসর বয়সের সময় এই ধর্ম লাভ করেছি।” স্থবির আচার্যকে পুনঃ জিজ্ঞেস করলেন- “ভদন্ত! আপনার এই তীক্ষ্ জ্ঞান সমাধিতে ব্যবহার করতে পারেন কি?” “ধর্মদিন্ন! আমার পক্ষে ইহা কোন দুঃসাধ্য ব্যাপার নয়।” ভদন্ত! তাহলে সর্বাঙ্গ শ্বেতবর্ণ একটি হাতি নির্মাণ করুন।” শিষ্যের প্রার্থনানুযায়ী তিনি শ্বেতবর্ণ হাতি নির্মাণ করলেন। শিষ্য আবারও প্রার্থনা করলেন-“প্রভো! আপনার নির্মিত হাতিকে কর্ণদ্বয় অবিচলিতভাবে রেখে লেজ প্রসারণ করতঃ শৌন্ড উর্ধ্বদিকে তুলে ভয়ানক ক্রৌঞ্চনাদ পূর্বক আপনার অভিমুখে গমনশীল করুন।” আচার্য তাও করলেন। এরুপ করা মাত্রেই হাতি আচার্যের দিকে ধাবিত হল। হাতির ভৈরবাকার দেখে তিনি ভয়ে পলায়ন করতে আরম্ভ করলেন। তখন ক্ষীণাসব ধর্মদিন্ন স্থবির হাত প্রসারণ করে আচার্যের চীবরের কোণায় ধরলেন এবং বললেন-“ভদন্ত! কোন প্রকার ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখলেও তো অরহতগণের চিত্তচাঞ্চল্য উপস্থিত হয় না।” তখনি আচার্য মহোদয় নিজের নিকট লোকোত্তর জ্ঞানের অভাব সম্বন্ধে বিশেষভাবে পরিজ্ঞাত হলেন। সবিশেষ জেনে “আবুসো ধর্মদিন্ন! তুমি আমার জ্ঞানের লাভের আশ্রয় হও” এরুপ বলে ক্ষীণাসব স্থবিরের সম্মুখে উৎকুটিতভাবে বসলেন। “ভদন্ত! আমি আপনার সেই উপকার করার জন্যই এসেছি। আপনি চিন্তিত হবেন না। নিশ্চয়ই আমি আপনার উপকার করব। ইত্যাদি আশ্বাসবাণী বলার পর মহাস্থবিরকে কর্মস্থান ভাবনা দিলেন। তিনি কর্মস্থান গ্রহণ করে চংক্রমণে আরোহন করতঃ তৃতীয় পদবিক্ষেপে অরহত্ব ফল লাভ করেছিলেন। (অধিমান বর্ণনা, বিভঙ্গ অর্থকথা)।

বিজ্ঞপাঠক! লক্ষ্য করুন, ধর্মদিন্ন স্থবিরের আচার্য অরহত না হয়েও ঋদ্ধি আদির বিদ্যমানে অধিমান বশতঃ নিজেকে অরহত মনে করতেন। পরবর্তীতে প্রাজ্ঞ শিষ্যের কারণে সেই ভ্রান্ত বিশ্বাস থেকে বেড়িয়ে এসে অরহত্ব ফল লাভ করেছিলেন। যেখানে কোন সাধকের ঋদ্ধি নিজের চোখে দেখলেও উক্ত সাধকের অন্তর্জগত পরীক্ষা না করে অনুমান নির্ভর হয়ে অরহত বলা যায় না; সেখানে লোকমুখে শুনে জনশ্রুতিকে বিশ্বাস করে কোন ভিক্ষু বা গৃহী সাধককে অরহত, মার্গলাভী, আর্যশ্রাবক, আর্যপুরুষ, লোকোত্তর মহামানব হিসেবে উপাধি দেয়া নিতান্ত বোকামি ছাড়া আর কিছু হতে পারে না। লোভ-দ্বেষ-মোহ যুক্ত কোন ব্যক্তির অন্তর্জগত পরীক্ষণ না করে কেবল বাহ্যিক গাম্ভীর্যতা, চালচলন বা বেশভূষা দেখে কাউকে অরহত বলে প্রকাশ করা মানে নিন্দনীয়ের প্রশংসা করা। এটি অত্যন্ত গর্হিত কাজ। যা বুদ্ধশাসনের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে। আমাদের সমাজের অতীব দুঃখদায়ক চিত্র হচ্ছে- যেসব সাধকের নামে কল্পিত অলৌকিক কাহিনী প্রচলিত হয়েছে, অরহত, মার্গলাভী, আর্যশ্রাবক ইত্যাদি লোকোত্তর অভিধা ব্যানার পোষ্টারে প্রকাশিত হয়েছে এবং যেসব সাধক জনগণকে দেখানোর জন্য ধ্যান করেন ও মনগড়া ধুতাঙ্গশীলাদি আচরণ করেন তাদেরকেই সিংহভাগ লোক প্রকৃত অরহত মনে করে সেদিকেই ধাবিত হন এবং চারি প্রত্যয় দিয়ে কেবল তাদেরই সেবাযত্ন করছেন, এমনকি তাদের অবস্থান স্থলে উন্নয়নের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। অথচ যাঁরা প্রকৃতপক্ষে শীলবান, ধুতাঙ্গধারী, ধ্যানী, বিমুক্তিমার্গের প্রকৃত পথিক, অরহত্ব লাভে সত্যিকার অর্থেই প্রতিপন্ন, তাঁদেরকে চীবর, পিন্ডপাত, শয্যাসন ও ঔষধ-প্রত্যয় দানের দাতার বড়ই অভাব পরিলক্ষিত হয়। ফলে অনেক সাধক ভিক্ষু নূন্যতম চারি প্রত্যয়ের অভাবে ধ্যান সাধনায় অগ্রগতি লাভ করতে পারছেন না। যাঁরা অরহত্ব ফল সাক্ষাতের জন্য সাধনারত,তাদেঁরকেও চারি প্রত্যয় দান ও সেবা করতে হবে। তবেই আমরা বেশি বেশি জ্ঞানী, মার্গফল লাভী ভিক্ষু পাব। প্রত্যেক ভিক্ষুই বুদ্ধের অনুসারী ও পরম্পরাগত শিষ্য। সুতরাং প্রত্যেক ভিক্ষুর প্রতি সুনজর দেয়া উচিত। দেহের প্রত্যেক অঙ্গের সামঞ্জস্যপূর্ণ বৃদ্ধিতে যেমন দৈহিক সৌন্দর্য প্রকাশিত হয় তদ্রুপ ভিক্ষুসংঘের প্রতিটি সদস্যের প্রতি সুষমভাবে চারি প্রত্যয় প্রদত্ত হলে ও মাতৃ-পিতৃস্থানে থেকে দায়ক দায়িকাগন ভিক্ষুসংঘের সুরক্ষায় এগিয়ে এলে এবং ভিক্ষুগণও দুশ্চিন্তামুক্ত মনে শীল-সমাধি-প্রজ্ঞার অনুশীলন করলে অবশ্যই বুদ্ধ শাসন সদ্ধর্মের উন্নতি-শ্রীবৃদ্ধি সম্ভব।

বিজ্ঞ পাঠক! আসুন,আমরা অনুমান করে কাউকে অরহত বলা হতে বিরত হই। আমাদের দেশে যাঁরা অরহত হিসেবে প্রচারিত হয়েছেন তাঁদের দাহক্রিয়া পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করি। দেখি অরহতের প্রকাশস্বরুপ কোন শারীরিক ধাতু পাওয়া যায় কিনা; যদি পাওয়া যায় তবে অবশ্যই ভাল। আর তখন হতেই আমরা তাঁদেরকে অরহত হিসেবে অভিহত করতে পারি।

সুতরাং আসুন, আমরা যেন আর নিন্দনীয়ের প্রশংসা না করি; প্রশংসনীয়ের নিন্দা না করি,“উনি নিশ্চয় অরহত” অথবা “ উনি অরহত নহেন”- এভাবে অনুমান নির্ভর হয়ে বৃথা বাক্যালাপে সময় নষ্ট না করে সেই সময়টুকু দান-শীল ভাবনায়, ত্রিপিটক অধ্যয়ন, সদ্ধর্ম আলোচনা, পঞ্চস্কন্ধ ও প্রতীত্য- সমুৎপাদনীতি বিষয়ে গবেষণা, সমাধি ভাবনা ও বিদর্শন চর্চায় অতিবাহিত করি। মোগ্যেক স্যাদোর ভাষায় আসুন, মৃত্যু গ্রাস করার পূর্বেই আমরা আমাদের করণীয় কর্তব্য সম্পাদন করি, নতুবা দুর্লভ মানব জীবন লাভ বৃথা হয়ে যাবে।

(বি.দ্র.- কথাগুলো অনেকটা অপ্রিয় সত্য, তাই অহেতুক মন্তব্য না করে গঠনমূলক সমালোচনার প্রত্যাশা রাখি।-সম্পদক, দি বুড্ডিস্ট টাইমস।)

Facebook Comments

বৌদ্ধদের আরো তথ্য ও সংবাদ পেতে হলে আমাদের ফেসবুক ফ্যান পেইজে লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন।: www.facebook.com/buddhisttimes

দি বুড্ডিস্ট টাইমস.কম একটি স্বতন্ত্র ইন্টারনেট মিডিয়া। এখানে বৌদ্ধদের দৈনন্দিন জীবনের বিষয়গুলোকেই তুলে আনার চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি যে কেহ লিখতে পারেন দি বুড্ডিস্ট টাইমস এ। দি বুড্ডিস্ট টাইমস এর সাথে লেখ-লেখিতে যুক্ত হতে চাইলে ব্যবহার বিধি ও নীতিমালা পড়ুন অথবা নিবন্ধন করুন
এখানে।

Recommended For You

Leave a Reply

error: অনুগ্রহ করে কপি/পেস্ট মনোভাব পরিহার করি নিজে লেখার যোগ্যতা অর্জন করুন।