আমাদের যুব সমাজ

Smiley face

-এস. লোকজিৎ ভিক্ষুঃ মানব জীবনের এক বিশেষ সময হলো যৌবন কাল।  শৈশব কাল পেরিয়ে তারুণ্যময় জীবন কালকে মানব জীবনের স্বর্ণালী সময বলা হয়। অফুরন্ত সাফল্য আর প্রাপ্তিময় জীবনের যে অধ্যায়কে সর্বতো ভাবে সুন্দর করে তোলে তাকেই আমরা যৌবন বলি। মানব জীবনের যৌবন সময়ে ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিসীম। যৌবন সময়ে চরিত্রবান ও সৎ জীবনযাপন, সঠিক জ্ঞানের অধিকারী না হলে মানব জীবন ব্যর্থ হযে যায়। youth and Development গ্রন্থে বলা হয়েছে “The decadan of the youth is due to the environmental refection. But effects of Scince and technology. States apathy and above all family’s indifference” যৌবন শক্তি অপব্যবহার দেখলে আমাদের দুঃখের অন্ত থাকে না । যে যৌবন পৃথিবীতে মান্তি ও কল্যাণের মন্ত্র প্রচার করবে, তা যদি দানবের মূর্তিতে পৃথিবীতে অশান্তি ও দুঃখ সৃষ্টি করে তা মানব ভাষায় ব্যক্ত করা যায় না। তাই মানব জীবনে যৌবনের পরাজয় হলে সমগ্র জাতির উন্নতি সম্ভব নয়, যৌবনরে তারুণময় শক্তি যুগে যুগে কালে কালে মানবের সমস্ত বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে সত্য আবিস্কার করতে সক্ষম হয়েছে। তাই মহামানব গৌতমবুদ্ধ বলেছেন-

”যো হবে দহরো ভিক্সু মুঞ্জতি বুদ্ধসাসনে

সো মংলোকর পবাসেতি অরভা মুত্তো’ব চান্দিমা

নিতান্ত তরুণ হলেও যে ভিক্ষু বুদ্ধের শাসনে আত্ম নিয়োগ করেন, তিনি মেঘমুক্ত চন্দ্রের ন্যায় এই জগৎকে উদ্বাসিত করেন, সত্তিকার ভাবে উপলব্দি করলেই দেখা যায় যা কিছু মহৎ সুষ্টি তার অধিকাংশ কৃতিত্ব হচ্ছে যৌবন এর তারুণ্য শক্তি। পৃথিবীর স্মরণীয় বরণীয় সব মানুষের জীবনীতে দেখা যায় যে তার সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জিত সাফল্য যৌবনেই এসেছে।

youth

তথাগত বুদ্ধ যৌবনের সুবর্ণ অধ্যায়ের ৩৫ বছর বয়সে (তৃষ্ণামুক্ত বিমুক্তমার্গ) লাভ করেছেন। যীশুখৃষ্ট, হযরত মোহাম্মদ (সঃ), চৈতন্যদেব শ্রীকৃষ্ণ প্রমুখ ধর্ম প্রবর্তকদের যৌবন সেই সত্য পরিলক্ষিত হয়্ যৌবনের অপরিসীম শক্তিকে সঠিক বাবে কাজে লাগেতে সক্ষম হলে কালজয়ী সাফল্য লাভ করা যায়। যৌবনে শক্তি অতি প্রচন্ড, যৌবন শক্তির কাছে কত রাজা-মাহারাজা, রাষ্ট্রনায়ক, সেনাপতির পরাজয় হয়েছে। পৃথিবীতে সর্ব্বোচ্চ পর্বত হয়, মহাকাশ, দেশ দেশান্তর সব কিছুতেই যৌবনের মহাবিজয়ের ইতহিাসে বিদ্যমান। জাতিসংঘ ১৫ থেকে ৪০ এর মধ্যকার টগবগে ২৫টি বছরকে তারুণ্যের এক সুন্দর সময় হিসাবে চিহ্নিত করেছে। যুবকরা দেশ , জাতি, ধর্ম, সমাজ, সমগ্র পৃথিবীর প্রাণ।

সেই যুবক-যুবতীরাই যৌবনশক্তির অপব্যবহার করে নিজের জীবনকে ধ্বংস করেছে। পিতা-মাতা, জাতি ধর্মের সমগ্র বন্ধনকে চিহ্ন করে ভোগ যৌবন লালসার অন্ধাকরে নিমজ্জিত হচ্ছে। ব্যাভিচার লিপ্সা, সমকামিতা, ধর্ষণ, ইভটিজিং, লিভটুগেদার (বিয়ে না করে একত্রে বাস) অবাধ যৌনচার, পরকীয়া, ভিডিও ব্ল্যাকমেইল, মাদকাসক্ত, সন্ত্রাস এক মহা অবক্ষয়ে বিপন্ন হচ্ছে যুব সমাজ। বিনয় তথা নীতি নৈতিকতা যেখানে পদদলিত অসৎ পথে অবৈধ অর্থের পাহাড় গড়ে উঠে। বিচারের বাণী যেখানে নীরব-নিভৃতে কাঁদে। যে সমাজের মূল্যবোধ ধূলায় গড়াগড়ি খায়। বেকারত্ব, সন্ত্রাস, রাজনৈতিক কুপ্রভাব, অপসংস্কৃতি, অর্থনৈতিক দৈন্যতা ইত্যাদি যুব সমাজকে গভীরভা েপ্রভাবিত করছে। ফলে তারা সুস্থ জীবন থেকে বিছিন্ন হয়ে ঝুকে পড়ছে নান অবক্ষয়ের দিকে। বর্তমানে ধর্মান্তর এক মহাব্যাধি সমাজকে মহা অন্ধকারে নিয়ে যাচ্ছে। যা ব্যাক্তি ও সমাজ জীবনকে বিপন্ন করেছে।

তার প্রধান কারণ জীবন্ত মহা আদর্শবান মানুষের সান্নিধ্যের অভাব। যুব সমাজের সামনে জীবন্ত আদর্শের বড়ই অভাব। ধর্মীয শিক্ষার অবহেলা এবং পিতামাতার উদাসীনা ধর্মান্তরের অন্যতম কারণ। প্রথমেই উল্লেখিত মানব জীবনের মধ্যে যৌবন কালই সর্বাপেক্ষা আনন্দময জীবন, তার পূর্বে কিশোর কাল যা শিক্ষা অর্জনের এক বিশেস উপযুক্ত সময়। সেই সময়ে ছেরে মেয়েদের সঠিক ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান করা উচিত। একাডেমিক শিক্ষার জন্য পিতা-মাতাগণ যে রুপ তৎপর তার পাঁচ ভাগের একভাগ হলেও ধর্মীয় শিক্ষার জন্য সময প্রদান করতো তাহলে ছেলে মেয়েরা বিপথগামী হতো না্ সাম্্রতিক সময়ে ধর্মান্তর যুব সমাজকে হা অন্ধকারে নিমজ্জিত করছে। যৌবনের উন্মাদনায় লোভ, দ্বেষ, মোহ তাড়নায় ধর্ম, সমাজ, জাতি, পিতা-মাতাকে তুচ্ছ জ্হান করে যৌন লালসায় পবিত্রময সর্দ্ধমকে ত্যাগ করে মহা নরকে পতিত হচ্ছে। যৌবনের প্রমত্ত উন্মাদনায় পিতা-মাতা-ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন সমস্ত বন্ধন ছিন্ন করতে একটুও ভাবছেন না। যে পিতা-মাতা লালন-পালন করে বর্ধন করেছে। মিথ্যা যৌবন তাড়নায় সেই পিতা-মাতার আদর্শ, ধর্মকে পদধূলিত করছে। যে যেওবনে সত্য সুন্দরের বন্দনা গাথা রচিত হয় মানুষের জীবন্ েসেই সময়ে বিপদগামী কিছু যুব-যুবতী মিথ্যা মরিচিকার আবদ্ধ হয়ে ধর্ম, সমাজ জাতির মহা অকল্যাণ সাধন করছে। বুদ্ধের ধর্ম দর্শন মুক্ত চিন্তা চেতনার ধর্ম্ কাউকে বাধ্য করে নাই তার ধর্ম দর্শনকে প্রতিপালন করত্ কিন্তু অত্যন্ত পরতাপরে বিষয় যে, বুদ্ধের ধর্ম দর্শনকে গভীরভাবে না জেনে অতীত পূণ্য পারমীতায় বৌদ্ধ পিতা মাতার পরিবারে জন্ম গ্রহণ করতেও সত্য উপলব্ধি হতে নিজেকে বঞ্চিত করছে। কোন পুরুষ বা নারীকে পাওয়ার জন্য (বিয়ে করার জন্য) যে ধর্মান্তর তা কতটুকু সত্য সন্ধানের যাত্র, সত্যিই তা সবাইকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। কোন পুরুষ বা নারীকে একান্তবাবে পাওয়ার জন্য বা নিজ পিতা-মাতা, জাতি ধর্মকে তুচ্ছ করতে পারে সে কেমন মানুষ একটুও তা ভাবতে পারে না। যে পিতা-মাতা লালন পালন করে জীবনের সমস্ত অর্জন ছেলে মেয়েকে প্রদান করে। সে সন্তান যদি যৌবনের মোহ উন্মাদনায় সবাইকে ভুরে যায়্ সে কেমন সন্তান নিজেকে কি প্রশ্ন করতে পারবে না। সামান্যতম জ্ঞান থাকলেও এমন নিন্দনযি কাজ কোন সন্তান করতে পারে না। সামান্যতম জ্ঞান থাকলেও এমন নিন্দনীয় কাজ কোন সন্তান করতে পারে না। ভিন্ন ধর্মের ছেলে মেয়েদের সাথে প্রেম, পালিয়ে যাওয়া, লুকিয়ে বিয়ে করে অথবা বিয়ে করে ধর্মান্তরিত হওয়ার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। ধর্মীয় গুরু, মাতা-পিতা, ধর্মীয় শিক্ষা উদাসীনতা তার প্রধান কারণ।

ধর্মান্তর রোধে ধর্মীয় গুরুদের করণীয়-বৌদ্ধ ধর্ম এমনটি ধর্ম যা বিনা রক্তপাতে স্বাধীন চিন্তা চেতনায় প্রচারিত হয় সমগ্র বিশ্বে। শক্তি প্রয়োগে ধর্ম প্রতিপালন বুদ্ধে ধর্ম দর্শন বিশ্বাস করে না। ভোগ লোভ তার মার্গ জ্ঞানের মহা অধিকারী দাবি করে মাঝে মাঝে মহাসমাবেশ করে দুই এক ঘন্টা ধর্ম দেশনা করে ধর্ম প্রচার সম্ভব নয়। তথাগত বুদ্ধ একজন মানুষকে ধর্মদান করার জন্য বহু পথ হেটে গেছেন। একতরফা ধর্মদেশনা কারণ নেই প্রশ্ন-উত্তর, প্রতিপ্রশ্ন এর মাধ্যমে যুত্তি উপমা উপস্থাপন করে সন্দেহ অপনোদন করে সর্দ্ধমের প্রতিষ্ঠা করেছেন। আর ধর্ম প্রচারকগণ কি করছ্?

আমাকে এমন ভাবে নিয়ে যেতে হবে। জায়গা দান করতে হবে। কোন বিহারে থাকতে পারে না। আলাদা ঘর (কুঠির) নির্মাণ করতে হবে। এতো শর্ত জুড়ে দিয়ে কি বুদ্ধ ধর্ম প্রচারের কথা বলেছেন। সাময়িক জনসমাগমে ধর্ম দেশনায় বুদ্ধে ধর্মকে রক্ষা করা যাবে না। তাই প্রাচীন আচার্য্যগণ সাধারণ বিনয়শীল জীবন যাপনে সাধারণ মানুষের কাজ নিয়ে ধর্মের অমৃতময় ধর্মবাণী প্রচার করে অসাধারণ ধর্ম সম্পাদন করেছেন। বর্তমান যুব সমাজকে রক্ষা করতে হলে তাদের কাছে যেতে হবে। তাদের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হবে। তাদের সত্য সন্ধানী মনকে স্বর্গ নরকের দোহাই দিয়ে সান্তনা দেওয়া সম্ভব নয়্ তাই বাস্তবতার নিরিখে বুদ্ধে যক্তি উপমার শ্রেষ্ঠ, আবিস্কার, চতুরায্য সত্য, আয্য অষ্টাঙ্কি মার্গ নির্বাণ তত্ত্ব ইত্যাদি শিক্ষা দিতে হবে। মান যশ কীর্তির লোভতা ত্যাগ করে ধর্ম প্রেমে জাগ্রত হতে হবে। আদর্শময় জীবন থাকতে হবে। ধর্মীয় শিক্ষা প্রচলন করতে হবে।

পিতা-মাতার করণীয়- পিতা-মাতা সন্তানের আদিগুরু। পিতা-মাতার উপর সন্তানের ভবিষ্যৎ অনেকাংশ নির্ভর করে। ছোটবেলা হতে শিশুদের সকাল সন্ধ্যা বন্দনা ও ধমৃ সভায় নিয়ে যাওয়া একান্ত কতৃব্য। আদর্শ শীলবান ভিক্ষু শ্রামণদের সান্নিধ্যে নিয়ে গিয়ে ধর্মদেশনা শ্রবণ করা। একাডেমি শিক্ষার প্রতি যেরুপ গুরুত্ব রাখে তদানুরুপ ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব দেওয়া। আধুনিকতার দোহাই দিয়ে ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি উদাসিনতা ত্যাগ করে একান্ত প্রয়োজন। সন্তানগণ কেমন বন্ধু বান্ধবীদের সাথে মেলামেশা করছে তা খবর রেখে অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করে সৎ সাথীদের সাথে শিক্ষার জন্য উপদেশ, আদেশ প্রদান করা। এক কথায সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার পাঁচটি করণীয় কর্তব্য যথাযথভাবে সম্পাদন করা্

১। সন্তানকে পাপ কর্ম খারাপ কাজ হতে নিবারণ করা।

২। কল্যাণকর কাজ অর্থাৎ ভাল কাজে উৎসাহিত করা।

৩। উপযুক্ত বয়সে বিদ্যা শিক্ষা দেওয়া।

৪। যথাসময়ে বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ করা।

৫। যথাকালে বিষয় সম্পত্তির উত্তাধিকারী করে দেওয়া।

বুদ্ধে উক্ত পঞ্চবিধ ধর্ম যে পিতা-মাতা সম্পাদন করবে তাদের সন্তান কখনো বিপদগামী হবে না। তাই শিশু কাল হতে ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান করলে যৌবনের তারুণ্যময় সময়ে বিপদ গামী হবে না। জগতের শ্রেষ্ঠতম ধর্মের অনুশীলন, মানব জীবনকে স্বার্থক করতে পারবে। যুব সমাজের প্রতি আহ্বানের সাথে বলি, যৌবনের স্বর্ণালী সময়ে মহামানব তথাগত বুদ্ধে ধমৃ দর্শনকে জানার মাধ্যমে প্রজ্ঞা উন্মোচন করুন। ভিন্ন পথে গিয়ে জন্ম জন্মান্তরে পারমীকে ধ্বংস করবেন না। সত্য সন্ধানী মনকে সত্য পথে নিয়ে গিয়ে লোভ, দ্বেষ, মোহতার যৌবনতা ত্যাগ করে। মোহহীন প্রশান্তিময় তারুণ্যময় শুভ্রতায় যৌবনকে গ্রহণ করে নির্বাণ সাক্ষাৎ করুণ। এটাই হবে যৌবনের স্বার্থকতা।

জয় হউক যুব সমাজ

জয় হউক বুদ্ধের শাসন।

এস. লোকজিৎ ভিক্ষু। বিহারাধ্যক্ষ, চান্দগাঁও শাক্যমুনি বিহার; সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা; সুধর্মদেশক।

Facebook Comments

বৌদ্ধদের আরো তথ্য ও সংবাদ পেতে হলে আমাদের ফেসবুক ফ্যান পেইজে লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন।: www.facebook.com/buddhisttimes

দি বুড্ডিস্ট টাইমস.কম একটি স্বতন্ত্র ইন্টারনেট মিডিয়া। এখানে বৌদ্ধদের দৈনন্দিন জীবনের বিষয়গুলোকেই তুলে আনার চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি যে কেহ লিখতে পারেন দি বুড্ডিস্ট টাইমস এ। দি বুড্ডিস্ট টাইমস এর সাথে লেখ-লেখিতে যুক্ত হতে চাইলে ব্যবহার বিধি ও নীতিমালা পড়ুন অথবা নিবন্ধন করুন
এখানে।

Short URL: http://thebuddhisttimes.com/?p=3960

ধম্মবিরীয় ভিক্ষু Posted by on Mar 6 2017. Filed under এক্সক্লুসিভ, প্রবন্ধ. You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0. You can leave a response or trackback to this entry

You must be logged in to post a comment Login

Smiley face

সর্বশেষ টাইমস

Recent Posts: NivvanaTV covering Buddhist and Buddhist community in World, with weekly news, views, entertainment, and programs for all age.

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান

সুপ্রিয় চাকমা শুভ,রাঙামাটি সাম্প্রতিক পাহাড় ধস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৬০টি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বিদেশী দাতা সংস্থা দি স্যালভেশন আর্মী বাংলাদেশ। শুক্রবার (১৯ জানুয়ারী) সকালে বিলাইছড়ি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া প্রধান অতিথি হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের মাঝে আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন। […]

Photo Gallery

Top Downloads

Icon

The Buddhist Times Android apps 46.21 KB 54 downloads

...
Icon

অভিধর্ম্মার্থ সংগ্রহ 1.65 MB 1 downloads

গ্রন্থের নামানুসারে ইহা একটি অর্থ-সংগ্রহ...
Developed by Dhammabiriya
error: অনুগ্রহ করে কপি/পেস্ট মনোভাব পরিহার করি নিজে লেখার যোগ্যতা অর্জন করুন।