বুদ্ধ পূজা কৃসংস্কার; অপচয় !

Smiley face

শম্পা বড়ুয়া অদিতি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী। সম্প্রতি চট্টগ্রাম শহরের বৌদ্ধধর্ম বিষয়ের এক মুক্ত আলোচনা সভায় নিজের কিছু মতামত ব্যাখ্যা করেন।
বৌদ্ধ সমাজে প্রচলিত কিছু প্রথাকে তিনি সাহসের সাথে প্রশ্নবিদ্ধ করেন। বৌদ্ধ সমাজে প্রচলিত বুদ্ধ পূজা, সত্য বুদ্ধ, বুড়ো গোসাই, বুদ্ধ ভাষিত সূত্র পালিতে পাঠ করা, নারীর অধিকার নিয়ে তার মতামত দেখনু এই সম্পূর্ণ ভিডিও এর মাধ্যমে।

ভিডিওটি দেখুন এখানে: http://www.youtube.com/watch?v=hFRU5rBnuGQ

Facebook Comments

বৌদ্ধদের আরো তথ্য ও সংবাদ পেতে হলে আমাদের ফেসবুক ফ্যান পেইজে লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন।: www.facebook.com/buddhisttimes

দি বুড্ডিস্ট টাইমস.কম একটি স্বতন্ত্র ইন্টারনেট মিডিয়া। এখানে বৌদ্ধদের দৈনন্দিন জীবনের বিষয়গুলোকেই তুলে আনার চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি যে কেহ লিখতে পারেন দি বুড্ডিস্ট টাইমস এ। দি বুড্ডিস্ট টাইমস এর সাথে লেখ-লেখিতে যুক্ত হতে চাইলে ব্যবহার বিধি ও নীতিমালা পড়ুন অথবা নিবন্ধন করুন
এখানে।

Short URL: http://thebuddhisttimes.com/?p=617

ধম্মবিরীয় ভিক্ষু Posted by on Mar 11 2016. Filed under মাল্টিমিডিয়া. You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0. You can leave a response or trackback to this entry

7 Comments for “বুদ্ধ পূজা কৃসংস্কার; অপচয় !”

  1. শিবা চৌধুরী

    সম্পাদকবরেষু,
    শুভেচ্ছা অফুরান।

    ছোটখাট সংশোধন যদি করা যেতো তবে কৃতজ্ঞতার বিন্দু বিসর্গ পরিমাণ ও কমতি থাকবে না।চম্পা’র স্থলে শম্পা বড়ুয়া অদিতি হবে এবং সে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী।

  2. Kichu kichu ku-sanskar Manus k Su-sanskar a porinato kore. Buddha Puja ache bole akhono Manus Ra Bihare Bà Mondire ashe. Buddha nijer matri bhasay desona korte bolechilo, kintu Pali jehetu Buddher bhasa tai Therawadi Buddhist ra Pali chanting/sutropath kore. Buddha Dhorme Nari k obomanona koreni, obostar poriprekkhite- Meyera, Dhorshito, lanchito, kolongkito hobar shambhabona beshi thake. Bhikkhu-Bhikkhuni ekjaigai thakle Bà dekha dekhi hole onek samoy Mon Bicholito hoye Ubhoi Kolushito hote pare. Tai Therawada Bhikkhura Bhikkhuni korar mot dicche Na.

  3. ajoy barua

    অদিতি বড়ুয়াকে ধন্যবাদ, সে যা বুঝেছে তাই বলেছে। তবে সবার নজর কাড়া বা আলোচ্য হবার সহজ কৌশল হিসেবে এটা বলে থাকলে, বলবো ভুল করেছে। কেননা বৌদ্ধ ধর্মে আলোচনা করার সুযোগ আছে। প্রচন্ড আত্মবিশ্বাস ও প্রগতির সমর্থক বলেই এ ধর্ম আজ থেকে আড়াইহাজারেরও বেশি বছর আগে অকপটে বলতে পেরেছে “এসো দেখো, প্রমাণিত হলে গ্রহণ করো, নতুবা বর্জন করো। ” মহামতি গৌতম বুদ্ধের সময়েও অনেকে এ ধর্মের সমালোচনা করেছে, যা বুদ্ধ অন্ধের হস্তি দর্শন নামক সুবিখ্যাত গল্পের উদাহরণ দিয়ে উত্তর দিয়েছেন। “প্রাচীন ভারতের দর্শন ” সম্পর্কে বিশিষ্ট আলোচকগ্ণ প্রায় এ উদাহরণ উল্লেখ করে বৌদ্ধ দর্শন বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন । কেননা তারা উপলদ্ধি করতে সক্ষম যে, এ ধর্মের ব্যাপকতা এতো বেশি যা তারা সম্পূর্ণ আয়ত্ব করতে পারেননি। তদুপরি অনেক প্রচীন ধর্ম, তাই এর মৌলিক বিষয়গুলো অপরিবর্তিত অবস্থায় পাওয়া কঠিন, যুগে যুগে এ ধর্মের বিরুদ্ধচারীরা একের পর এক ধবংস করেছে প্রাচীন তথ্য, প্রশংসার ভান করে অনেকে বিকৃতি সাধনের চেষ্টা করেছে, যা আজো অব্যাহত রয়েছে । ধম্মপদে এমন নির্দেশনাও রয়েছে , যাতে বলা হয়েছে মৌলিকত্ব বজায় রেখে যুগের অগ্রগতির সাথে মিল রেখে চিন্তাচেতনাকে এগিয়ে নিতে। বৌদ্ধধর্ম নিত্য প্রবাহ মানতার পক্ষে, চিরন্তন অস্থিত্বে বিশ্বাস করেনা। এ স্বাধীন চিন্তার দ্বার উন্মুক্ত থাকায় বৌদ্ধ ধর্ম হাজারো প্রতিকূলতার মধ্যেও আজো টিকে আছে, তবে এ সুযোগ বিরোধীরাও নিয়েছে ও নিচ্ছে। সম্রাট অশোক বিষয়টি অনুধাবন করেছিলেন তাই এর প্রতিকারের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন । সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ, তবে বুদ্ধ পূজা মহাযান অনুসারীদের দ্বারা ব্যাপকতা লাভ করে, যা কতো টুকু প্রয়োজনীয় বর্তমান বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অবস্থানের দিকে তাকালেই যথেষ্ট । তবে বুদ্ধ পূজা আর অন্য ধর্মের পূজার উদ্দেশ্য ও পন্থা এক হবার নয় । এখানে আলোচনার ক্ষেত্র আছে। যা হতে হবে সম্রাট অশোক এর পথ অনুসরণ করে, হুবহু নয়। অদিতি পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন, ড. রামশরণ শর্মা এবং সমাজবিজ্ঞানী বা রিচার্ড ব্রাউন এর মতো বিখ্যাত ব্যক্তিদের লেখা পড়েছেন হয়তোবা, তাদের বক্তব্যের আলোকে বলার চেষ্টা করেছে। কিন্ত এ ক্ষেত্রে আমার অভিমত হলো, বিখ্যাত দার্শনিক জ্যা পল সাত্রের বস্তুর অস্তিত্ববাদ বা আপেক্ষিকতার বইগুলো পড়ার আগে সাধারণ দর্শন বা এ বিষয়ের প্রাথমিক বইগুলো না পড়া থাকলে জীবন সম্পর্কে উদাসীনতা আসতে পারে, অনেকে ড্রাগ এডিক্টেট হতে আমি দেখেছি। কারণ এতো গভীর বিষয়কে ধারণ করার মতো তাদের মানসিক শক্তি গড়ে উঠেনি। তোমাকেও বৌদ্ধধর্ম ও দর্শন সম্পর্কে আরো পড়তে হবে। পাশাপাশি আধুনিক যোগাযোগ ও বার্তা তৈরি এবং প্রদান কৌশল বিষয়ে জানতে হবে। মহাযান ধর্মের প্রচারকারীগণ যে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ধর্মের বিকাশ সাধন করেছেন, তাতে অনেক বিষয় এসেছে যা যুগের প্রয়োজনে যথার্থ ছিল এবং আজো তার প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়নি। তবে বর্তমান অতি তান্ত্রিকপন্থা ও ব্যক্তি পূজার বিপক্ষে বলা যায়। এক্ষেত্রে কারো সংস্কারে আঘাত না হেনে। আর গৃহী ও ভিক্ষুদের পার্থক্য বজায় রেখে।

  4. Buddhism

    বু্দ্ধ পূজা কি কুসংস্কার ?
    ____________________
    সম্প্রতি “দি বুড্ডিষ্ট টাইমস” অনলাইন পত্রিকায় প্রচারিত বৌদ্ধ ধর্মের কুসংস্কার বিষয়ে আলোচনায় শ্রীমতি চম্পা বড়ুয়া অদিদি তার বক্তব্যে বুদ্ধ পুজাকে অযুক্তিক ও কুসংস্কার বলে মন্তব্য করেছেন।পূজা ব্যাতিত আরো কয়েকটি বিষয়কেও কুসংস্কার হিসেবে বুঝাতে চেয়েছেন।তার মধ্যে বুদ্ধ ভাষিত পালি ভাষায় সূত্র পাঠ করাকেও তিনি কুসংস্কার বলেছেন যদিও এটা কুসংস্কারের পর্যায়ে অন্তরভূক্ত নয় । অন্যান্য বিষয় বাদ রেখে এই দুইটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি।
    কোন বিষয়ের চর্চা বা বিশ্লেষন করতে গেলে সেই বিষয়টির সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা থাকা প্রয়োজন। প্রথমে জানতে হবে কুসংস্কার কি।আমি ধর্মের কোন রেফারেন্স দিতে যাব না। কুসংস্কার হচ্ছে গোলা পানিতে মাছ আছে জেনে সেচ দেওয়া,নিরঅর্থক বিষয়ের উপর সময় নষ্ট করা বা অসম্যক ধারণা।সোজা কথায় যা কিছু সম্যক প্রথা নয় তাই কুসংস্কার।শুধু এটাই বলতে চাই বুদ্ধ পূজা আমরা কেন করি?পূজার প্রয়োজনীয়তা কি?পূজার অপকারীতা কি? বৌদ্ধ ধর্ম প্রসারে পূজার ভূমিকা কি? সেবিষয়ে জ্ঞাত হওয়া জরুরী।অনেকের মনে এমনও প্রশ্নের উদয় হতে পারে বুদ্ধকে খাদ্য দিয়ে পূজা করলে বুদ্ধ কি সেই খাবারগুলো খাচ্ছেন? বুদ্ধ মূর্তি জড় বস্তু নয় কি? এসব অপ্রয়োজনীয় অপচয় নয় কি?
    যারা এরকম চিন্তা করেন তাদের উদ্দ্যেশ্য করে বলব আপনারা বছরে কয় বার এরকম পূজা করে থাকেন? পূজার উদ্দেশ্যে কত টাকাই বা অপচয় করেন? যাকে অন্তরে ধারন করে বৌদ্ধ বলে গলা ফাটাচ্ছেন উনার ভক্তিতে এক থালা পূজার খাদ্য আপনাদের কাছে অপচয় হয়ে গেল? অনেকে কোন খাবার গ্রহনের পূর্বে বুদ্ধকে উদ্দেশ্য করে কিছু অংশ রেখে দেন।এটা কি বুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধার বহিপ্রকাশ নয় কি?বুদ্ধতো খাবার গুলো খাচ্ছেন না। অর্থাৎ আমরা যখনি নতুন কিছু করি তখনি ব্যবহারিক ভাবে শ্রদ্ধাময় কাজের মধ্যে একটি হচ্ছে পূজা। পূজা তখন কুসংস্কার বলা যাবে যখন আমরা আমাদের লাভের কথা ভেবে পূজা করব।অর্থাৎ বুদ্ধকে ঘুষ হিসেবে নিজের লাভের আশায় পূজা দেব। অন্য ধর্মের লোকেদের পূজার কর্যপ্রণালী দেখলে বৌদ্ধদের পূজার তারতম্য কিছুটা হলেও অনুভব করা যায়। বস্তুত বুদ্ধকে পূজা করা মানে বুদ্ধের জ্ঞানকে শ্রদ্ধা করা। আবার এরকমের প্রশ্নও আসতে পারে পূজা না করলে বুদ্ধকে কি আমরা শ্রদ্ধা করি না?আসলে ধর্ম হচ্ছে আচার-আচরণ, নিয়ম-কানুন ও বেসভূষা ধারন করা। পূজার প্রচলন আছে বিধায় শত ব্যস্ততার মাঝে হলেও পূজাকে কেন্দ্র করে পূজার থালা হাতে নিয়ে আমরা বিহারে যাই।এতে মানুষের মনে ব্যবহারিক ভাবে বুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধার উৎস হিসেবে পূজা মূল ভূমিকা হিসেবে কাজ করে।তাহলে বুদ্ধ পূজা করলে বরঞ্চ মানুষের শ্রদ্ধা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন বৌদ্ধরা দান-ধর্মে আগের তুলনায় অনেকটা এগিয়ে গেলেও ব্যবহারিক ধর্ম চর্চায় অনেকটা পিছিয়ে। পূজার প্রচলন সেই পুরোনো কাল হতে।শুধু বাংলাদেশে নয় বৌদ্ধ প্রধান দেশগুলোতেও খাদ্যদ্রব্য দিয়ে পূজার প্রচলন আছে। তবে বুদ্ধ পূজার কিছুটা সংস্কার করা যায়.. তা হচ্ছে বুদ্ধ পুজার উপকরণ হতে প্রাণীর মাংস বাদ দেওয়া।অনেকে পূজার থালায় বিভিন্ন প্রাণীর মাংস দিয়ে পূজা দেন।এভাবে পূজা করা মোঠেই উচিৎ নয়।পূজার খাবার ফেলে না দিয়ে পরবর্তিতে তির্যক প্রাণীদের খাওয়ানো যায়।আমরা বৌদ্ধরা নামে ত্রিশরণের পুজারি কিন্তু আমরা অনেকে এখনো হিন্দু দেব-দেবীর পূজা করে থাকি। যেমন শনি পূজা,লক্ষি পূজা, মনষা পূজা ইত্যাদি।এসমস্ত পূজা পুরোপুরি ভাবে বন্ধ করে বৌদ্ধ সমাজে সংস্কারের পদক্ষেপ গ্রহন করে বৌদ্ধ সমাজকে সংস্কার করা যায়।
    এবার আসা যাক বুদ্ধ ভাষিত পালি ভাষার সূত্র নিয়ে..
    আমরা বুদ্ধ ভাষিত সুত্র কেন পালি ভাষায় পাঠ করি? কারণ বুদ্ধবচন হল পালি,বুদ্ধের ধর্ম প্রচারের ভাষা।এই ভাষা আমরা যতই সংরক্ষন করতে পারব ততই বুদ্ধের ধর্মের প্রসারতা বেরে যাবে এবং বৌদ্ধ ধর্মের নিজস্বতা আরো বেরে যাবে। বিশ্ব থেরবাদী বৌদ্ধদের পালি ভাষাই নিজস্ব ভাষা।তবে বুদ্ধ ভাষিত সুত্রগুলোকে আমরা পালি ভাষায় সংরক্ষনের পাশাপাশি বাংলা অনুবাদসহ সংরক্ষন করতে পারি।তাতে বুদ্ধের বাণীগুলো বুঝতে সহজ হবে। ভাবতেই খারাপ লাগে সংস্কারের নামে আমরা কতটাই না নিচে নেমে গেছি। ইসলাম ধর্মের লোকদের কাছে যদি প্রশ্ন করি.. তোমরা কোরান বাংলাতে পাঠ না করে আরবি ভাষায় পাঠ কর কেন ? জবাবে ওরা বলে, আরবী হচ্ছে বিশ্বের মুসলিমদের জাতীয় ভাষা।আমাদের রসুলের ভাষা। কিন্তু আমাদের বৌদ্ধ ধর্মের লোকের কাছে পালি ভাষা কুসংস্কার! জাপানীদের ধর্ম চর্চার কথা যদি বলতে যাই এরা থেরবাদী বৌদ্ধদের চাইতে সম্পূর্ন আলাদা।ওদের ধর্ম চর্চা আমাদের চাইতে অনেকটা ভিন্ন।অনেক জাপানী,কোরিয়ানকে প্রশ্নও করেছি বুদ্ধের জন্ম স্থান কোথায় ? ওরা কি বলে জানেন ? May be Asia.অনেক কোরিয়ানকেও দেখেছি ওরা মদ পাণীয় হিসেবে বুদ্ধকে পূজা করতে ।এবার বলুন ওরা কি রকমের বৌদ্ধ।
    আমরা বৌদ্ধরা আচরণের চাইতে লোক দেখানো ধর্ম চর্চায় ঝুকে গেছি।আমাদের বৌদ্ধ সমাজের যুবক যুবতীরা শিক্ষা-দীক্ষায় এতই শিক্ষিত হয়ে গেছে এবং ধর্মীয় জ্ঞানের পারদর্শিতা এতই সুদক্ষ যে সেই আদিকাল হতে বৌদ্ধের সুপ্রথা এখন তাদের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ।ফলসরুপ আজ আমাদের ধর্মের এই অবস্থা।শ্রদ্ধা ভক্তির বিষয়টিও বিলুপ্ত হওয়ার পর্যায়ে। কথায় কথায় আমরা কালাম সুত্রের উদাহরণ দিয়ে বৌদ্ধ ধর্মকে সকল হ্মেত্রে বিচার করতে চেষ্টা করি।আরে ভাই একটু চিন্তা করুন না বৌদ্ধ ধর্মও পুরোপুরি অলৈকিকতা বিহীন নয়। বৌদ্ধ ধর্মেও অলৈকিকতা আছে যা বুদ্ধের জীবনী ভালোভাবে পড়লে বুঝতে পারবেন। উদাহরণ স্বরূপ করণীয় মৈত্রী সূত্র পাঠের মাধ্যমে বৃক্ষদেবতাগণ ভিক্ষুদের প্রতি সদয় ও মৈত্রীভাবাপন্ন হয়েছিলেন।

  5. sharat.

    টিকেট কেটে ক্রিকেট খেলা দেখা কি টাকার অপচয়?
    যাদি না হয় তাকলে কেন অপচয় না?????

  6. Buddhism France

    চম্পা বড়ুয়ার ভিক্তিহীন বক্তব্যের জন্য এবং ধর্ম নিয়ে অবমাননা মূলক বক্তব্যে জন্য চরম নিন্দা জানাই, বুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধা ভক্তি করে পুর্জা অচর্নাকে আপনি মৌলবাদী বলেছেন, চম্পা বড়ুয়াকে আমি বলতে চাই ইস্কুল , কলেজে ছাত্র ছাত্রীরা ইংরেজী শিখে কিন্তু তার বাংলা অনুবাদ গুলোও জেনে নেয়, সুতরাং মহামানব গৌতম বুদ্ধের মুখমিশ্রিত পালি ভাষা আমাদের শিখার প্রয়োজন এবং তার বাংলা অনুবাদ গুলো জানার প্রয়োজন! বুদ্ধা ধর্ম হচ্ছে জ্ঞানীর , পন্ডিত ব্যাক্তির ধর্ম, বুদ্ধের ধর্ম ভালভাবে দর্শন না করে অজাতা মাইকে বক্তব্যে দিয়ে দয়া করে ধর্মের অনুভুতির মধ্যে আঘাত আনবেন না, চম্পা বড়ুয়ার প্রতি মৈত্রী রইল’, জগতে সকল প্রাণী প্রজ্ঞাবান হউক

You must be logged in to post a comment Login

Smiley face

সর্বশেষ টাইমস

Recent Posts: NivvanaTV covering Buddhist and Buddhist community in World, with weekly news, views, entertainment, and programs for all age.

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান

সুপ্রিয় চাকমা শুভ,রাঙামাটি সাম্প্রতিক পাহাড় ধস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৬০টি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বিদেশী দাতা সংস্থা দি স্যালভেশন আর্মী বাংলাদেশ। শুক্রবার (১৯ জানুয়ারী) সকালে বিলাইছড়ি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া প্রধান অতিথি হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের মাঝে আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন। […]

Photo Gallery

Top Downloads

Icon

The Buddhist Times Android apps 46.21 KB 54 downloads

...
Icon

অভিধর্ম্মার্থ সংগ্রহ 1.65 MB 1 downloads

গ্রন্থের নামানুসারে ইহা একটি অর্থ-সংগ্রহ...
Developed by Dhammabiriya
error: অনুগ্রহ করে কপি/পেস্ট মনোভাব পরিহার করি নিজে লেখার যোগ্যতা অর্জন করুন।