মাননীয় ভিক্ষুণী সংঘ সংযত হোন

Smiley face

উজ্জ্বল বড়ুয়া বাসুঃ বাংলাদেশে শ্রামণীসংঘ তথা ভিক্ষুণীসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে পক্ষে বিপক্ষে নানা বিতর্ক চলেছে। আমি কোনদিন বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করিনি। পক্ষেও বলি নি, আবার বিপক্ষেও বলি নি। আমি ভিক্ষুণীসংঘের বিপক্ষে বলিনি কারণ আমার মনে একটা বিষয় বেশ রেখাপাত করতো সেটি হচ্ছে আমরা বলি মানব জীবন দূর্লভ। এখন এই মানব বলতে পুরুষ ও মহিলা উভয়কেই বুঝায়। তাই মানবজীবনকে সার্থক করার সুযোগ উভয়েরই গ্রহণ করা উচিত। গৃহী জীবনে থেকেও মার্গফল লাভ করে দূর্লভ মানব জীবনকে সার্থক করা যায় বটে তবে তা অতীব কঠিন। আর তাই বৈরাগ্য জীবন নিয়ে কেউ দ্রুত এই পথে এগুলে সেক্ষেত্রে বাঁধা দেওয়া আমার বিবেকে বাঁধে, বলা যায় নারীদের প্রতি মায়া জাগে। তারা কেন এই সুযোগ গ্রহণ করবে না? (অবশ্য বিলুপ্ত হওয়া শ্রামণীসংঘ পুনঃপ্রতিষ্ঠা পেতে পারে কি না এই বিষয়ে অনেক প্রবন্ধ পাওয়া যায়, আমি সেগুলো না ভেবে কেবল মানবিক বিষয়টা ভেবেছি এখানে।)

আমি ভিক্ষুণী সংঘের পক্ষে বলিনি কারণ আমি জানি ভিক্ষুণীসংঘের বহুল প্রসার ঘটলে বিহারে বিহারে ভিক্ষুর পাশাপাশি ভিক্ষুণীর অবস্থান হলে বৌদ্ধ সমাজের অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই বিহারে অবস্থানকালীন সময়ে ভিক্ষু এবং ভিক্ষুণীর নৈতিক স্থলনের সম্ভাবনা অনেক বেশী বলা চলে। বুদ্ধের সময়কালীন অসংখ্য ভিক্ষু মার্গফললাভী ছিলেন বিধায় সেই রকম নৈতিক স্থলনের সুযোগ খুব বেশী ছিল না। তারপরেও তৎকালীন সময়ের অনেক ঘটনা পাওয়া যায়। আর বর্তমান সময়ে মার্গফললাভী ভিক্ষুর সংখ্যা অতীব কম বলে নানা ধরণের খারাপ ঘটনা ঘটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কারণ একজন বৌদ্ধ কুলপুত্র চীবর ধারণ করলেই লোভ, দ্বেষ, মোহের উর্ধ্বে চলে যান না। ভিক্ষুণীর ক্ষেত্রেও বিষয়টা একই। আর এ কারনে বৌদ্ধ ধর্মের পরিহানির কথা ভেবে কখনো ভিক্ষুণীসংঘের প্রতিষ্ঠার পক্ষেও বলিনি ।

যাই হোক, যখন নানা ঘাত প্রতিঘাত পেড়িয়ে যখন ভিক্ষুণীসংঘ প্রতিষ্ঠা পেয়ে যায় এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকতা দানের জন্য যখন অনেক শিল্পপতিদের এগিয়ে যেতে দেখি তখন মনে মনে ভাবি ভিক্ষুণীদের জন্য আলাদা একটা প্রতিষ্ঠান হলে (যেখানে কোনো পুরুষ বা ভিক্ষু যেতে পারবে না) সেক্ষেত্রে তারা নিরাপদে থেকে ধ্যানানুশীলন করতে পারবে। বাইরে যাওয়ার তেমন দরকার পড়বে না কিংবা কোনো বিহারেও থাকতে হবে না তাদের। মনে মনে বৌদ্ধ ধর্মের পরিহানির যে বিষয়টা ভেবেছিলাম সেটাও হয়তো এক্ষেত্রে ঘটার সুযোগ পাবে না।

একটা পর্যায়ে এসে ভিক্ষুণীসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গটা থেমে যায়। কিন্তু ভিক্ষুণীসংঘকে নিয়ে বিতর্কের মাত্রা যেনো থামেনা। এবং বিতর্কে ভিক্ষুণীসংঘকেই বেশী ভুমিকা রাখতে দেখা যায়।

১) প্রতিষ্ঠা পরবর্তী যে বিষয়টি বেশ আলোচনায় আসে তা হচ্ছে অষ্ট গুরু ধর্ম প্রতিপালন নিয়ে। ভিক্ষুণীসংঘের প্রতিষ্ঠায় যিনি বেশী ভূমিকা রেখেছিলেন সেই ড. বরসম্বোধি ভান্তের সাথে দুই ঘন্টা আলোচনা করেছিলাম বুদ্ধগয়াতে। তিনি ভিক্ষুণীদের অষ্ট গুরু ধর্ম মানতে  নারাজ। কারণ কি? তার যুক্তি এগুলো বুদ্ধের ভাষিত নয় বরং প্রথম সংগীতিতে ভিক্ষুরাই এসব অবতারণা করেছেন। আমি প্রশ্ন করলাম এই অষ্ট গুরু ধর্ম তৈরী যে প্রথম সংগীতিতেই হয়েছে তার পক্ষে কি কি যুক্তি আছে? তিনি বললেন- ভিক্ষুরা চায় নি ভিক্ষুণীসংঘ প্রতিষ্ঠা হোক তাই তারা আনন্দ ভান্তেকে তিরস্কার করেছিলেন। বুদ্ধের সময়েই ভিক্ষুণীদের প্রতি তাদের বিদ্বেষ ছিল। পরে বুদ্ধ না থাকায় এই বিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ ঘটে প্রথম সংগীতিতে। আর সেই বিদ্বেষের কারণে তাদের দমানোর জন্য এই অষ্ট গুরু ধর্মের প্রবর্তন। আমি পুনরায় প্রশ্ন করলাম- ভান্তে প্রথম সংগীতিতে সবাই অর্হৎ ছিলেন। এই অর্হৎ দের কি বিদ্বেষ থাকতে পারে? ভান্তে এবার সঠিক উত্তর খুঁজে না পেয়ে কিছুটা ইতস্তত হয়ে বিষয়টি এড়াতে চাইলেন আমিও আর কথা বাড়ালাম না, যা বুঝার তা বুঝে নিলাম।

পুজ্য বরসম্বোধি ভান্তে মুসলিম হলে আনন্দ ভান্তের জীবনী টেনে ত্রিপিটকের অসংগতি তুলে ধরেছেন ( এটাও এক প্রকার বিভ্রান্তি ছড়ানো ছিল, ভান্তের সাথে দেখা হয় নি বলে আর প্রত্যুত্তর দেওয়ার সুযোগ হয় নি। তার ভুলটা ধরিয়ে দেওয়ার সুযোগ হয়নি।)

২) পরবর্তীতে যে বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসে তা হচ্ছে কালাম সূত্রের যত্রতত্র ব্যবহার, বলা যায় বেশ কিছু ক্ষেত্রে ত্রিপিটকের ভুল ব্যাখ্যা দিতেই এর ব্যবহার। বুদ্ধ কালাম সূত্রের মাধ্যমে স্বাধীনতা দিয়েছেন বটে সেই স্বাধীনতা ভোগের যোগ্য কিনা তাও আমাদের বুঝতে হবে। ব্যক্তির মদ খাওয়ার স্বাধীনতা থাকতে পারে, গাড়ি চালানোর স্বাধীনতাও থাকতে পারে। কিন্তু মদ খেয়ে গাড়ি চালালে এক্সিডেন্ট করে নিজেও মরবে সাথে পথচারীর জীবনটাও কেড়ে নেবে। একজন ব্যক্তি মদ পানের পক্ষেও যুক্তি দেখাতে পারে, কালাম সূত্রের কথা রেফারেন্স হিসেবে টানতে পারে, কারণ তার মন যে মদ খাওয়ায় সায় দিচ্ছে। কিন্তু তাই বলে সে মদ্যপায়ীর কালাম সূত্রের রেফারেন্স গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। অর্থ্যাৎ আমি বুঝাতে চাচ্ছি, কালাম সূত্রের প্রয়োগটাও ভেবে চিন্তে করতে হবে। এখানে, স্থান, কাল, পাত্র, ব্যবহারের যোগ্যতা সবকিছুতে ভাবতে হবে। সব রোগের ঔষধ কালাম সূত্র হতে পারে না।

৩) আমাদের জন্মান্তর নেই জয়দের করের লেখাটিও বিতর্কে আসে কারণ জয়দেব কর গৌতম সাময়িকীরই একজন। আরো বেশ কিছু বিভ্রান্তিকর লেখা প্রকাশ পায় যা ত্রিপিটককেই বিতর্কিত করে তোলে। সাধারণ বৌদ্ধদের বিভ্রান্তিতে ফেলে দেয়।

৪) পৃথিবীতে একান্ত নন্দিতও কেউ নাই, একান্ত নিন্দিতও কেউ নাই, এটা বুদ্ধের কথা। ভিক্ষুণীসংঘের প্রতিষ্ঠাকে যারা মেনে নিতে পারে নি তারা নানাভাবে সমালোচনা করেছে। কিন্তু সমালোচনার প্রত্যুত্তরগুলো মাঝে মাঝে এত কটু ভাষায় এসেছে যে যারা ভিক্ষুণীসংঘকে পছন্দ করে তারাও মর্মাহত হয়েছেন। বিশেষ করে ভিক্ষুণীসংঘদের সাথে কাজ করে এমন কয়েকজনকে দেখা যায় যেখানেই ভিক্ষুণীসংঘের সমালোচনা হয়েছে সেখানেই তারা বাজে ভাবে আক্রমণ করেছে। যেহেতু এই কয়েকজন ব্যক্তির সাথে ভিক্ষুণীসংঘের নানান কাজ পরিচালিত হয় তাই তাদেরকে ভিক্ষুসংঘের প্রতিনিধি মনে করে সাধারণ মানুষ। আর তাদেরই কয়েকজন এমনটা করে বিধায় সাধারণ মানুষ মনে করে এসবে ভিক্ষূণী সংঘের ইন্ধন রয়েছে। বিশেষ করে কোনো ভিক্ষু মন্তব্য করলেই দেখা যায় তাকে নাজেহাল করতে। বিষয়গুলো ভিক্ষুণীসংঘের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে।

৫) সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটলৈা চন্দন রিমুর ফেইসবুক কমেন্ট নিয়ে যে কিনা গৌতম সাময়িকীর  নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্বে আছে। তার একটা কমেন্ট ছিল এরকম—যদি ফিরে আসি আবার মাংস-মাংস-মাংস আর মদ। তার কমেন্ট এর প্রত্যুত্তরে নীলকান্ত (সেও ভিক্ষুণীসংঘের নানা কাজে ভুমিকা রাখে) লিখেছে—ফিরে আসতেই হবে মাংস-মদ নিয়ে। পূর্বেই বলেছি, ভিক্ষুণীসংঘের নানান কাজ যারা করে, গৌতমী সাময়িকী প্রকাশে যারা ভুমিকা রাখে তাদেরকে সাধারণ মানুষ ভিক্ষুণীসংঘের প্রতিনিধি মনে করে আর তাই তাদের এরকম প্রকাশ্য ওয়ালে মন্তব্য স্বাভাবিকভাবে নিতে পারে না অনেকেই। সাধারণ মানুষ চায় তারা স্বদ্ধর্মের প্রচারই করবে তাদের মুখ দিয়ে মদের কথা মানায় না। এটা সত্য তাদের আলাদা ব্যক্তিগত জীবন আছে। বাস্তব জীবনে চন্দন রিমু মদ্যপায়ী হোক বা না হোক সে যদি এক লাইনে উত্তর দেয় যে এসব বন্ধুদের সাথে কেবল মজার ছলে বলেছি, এটা নিয়ে সমালোচনা করার কিছু নেই। সেক্ষেত্রে অন্যরা হাজার প্রচারণা চালালেও কেউ বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে নিতো না মোটেই। কিংবা গৌতমী সাময়িকীর বা ভিক্ষুণীসংঘের আইডি থেকে যদি মন্তব্য করে যে, চন্দন রিমু যা লিখেছে সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয় এসবের সাথে ভিক্ষুণীসংঘের বা গৌতমী সাময়িকীর কোনো কিছু জড়িত নয়। সেক্ষেত্রেও অন্যদের প্রচার কোন কাজে আসবে না আর। কিন্তু গৌতমী সাময়িকী থেকে লেখা হয়েছে- কে কোথায় হাগু করেছে, সেই হাগুর রং আর গন্ধ কেমন এসব নাকে মুখে লাগিয়ে গবেষণা করে সত্যজিতরা, গৌতমী সাময়িকী করে না….কিংবা ওই আইডি থেকে দেখা যায়—অসভ্য, ইতর, পাগলা কুকুর এমন শব্দ দিয়ে পাল্টা আক্রমণ। মনে রাখা প্রয়োজন কেউ একজন বাজে কথায় আপনাকে আক্রমণ করলে সেক্ষেত্রে তার চরিত্র সম্পর্কে মানুষ ধারণা লাভ করে। আর আপনারাও যদি সেই একই লেভেলে নেমে যান তবে আপনাদের সাথে তাদের পার্থক্য কোথায়?

মাননীয় ভিক্ষুণীসংঘ আপনাদের কাছ থেকে এই ধরণের শব্দ চয়ন মানুষ আশা করে না (ভিক্ষুণীসংঘকে উদ্দেশ্য করে বলার কারণ একটাই গৌতমী সাময়িকী তাদেরই প্রকাশনা, ভিক্ষুণী গৌতমী এটার সম্পাদক)। আপনাদের আশে পাশে যারা প্রায় সময় থাকে নানান কাজের সহযোগী হিসেবে তাদের শব্দ চয়ন তো আরো জঘণ্য। একজন ভান্তের মন্তব্যের জবাবে লিখতে দেখা যায়- পাড়ায় মানে না যে ভিক্ষুকে তিনিই মোড়ল। কার পা ধরে টিকে থাকবে সেই কর্মের হিসেব না করে এ যে সময়ের অপচয়।… তাছাড়া আরো নোংরা শব্দের প্রয়োগ দেখা যায় যা এখানে তুলে ধরতে লজ্জা লাগছে। যারা বিমুক্তির বাণী প্রচার করবে তাদের মুখ দিয়ে এতো জঘণ্য শব্দ চয়ন ঘটবে কেনো? বুদ্ধের সময় তো তির্থিয়রা কত কিছু করেছিল বুদ্ধের বিরুদ্ধে, সারিপুত্র ভান্তের ক্ষান্তিগুণ পরীক্ষা করতে ব্রাহ্মণ পিঠের উপর কিল বসাতেও দ্বিধা করে নি, দেবদত্ত তো আরো একধাপ এগিয়ে গিয়ে স্বয়ং বুদ্ধকে পাথর নিক্ষেপ করেছিলেন হত্যার উদ্দেশ্যে। এরা সবাই মৈত্রীগুণে পরাস্ত হয়েছিলেন। রেগে যাওয়া তো বুদ্ধের ধর্মের বাইরে পড়ে। আপনারা বলতে পারেন আপনাদের রাগ, দ্বেষ ক্ষয় হয়নি। কিন্তু তাই বলে প্রকাশ্যে আপনাদের এমন নোংরা শব্দ চয়ন তো গ্রহণযোগ্য হতে পারে না কোনো অবস্থাতেই। আপনাদের কেউ হাজারো গালি দিলেও আপনারা যদি মৈত্রী দেখাতে পারেন যথার্থ উত্তর দিয়ে সেটাই তো হবে আসল কাজ।

প্রিয় ভিক্ষুণীসংঘ, আপনাদের তথা কিছু আপনাদের অনুগত ব্যক্তিদের এহেন আচরণ দেখে যারা আপনাদের খুব পছন্দ করতো তারা মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে, এটা আমার কথা নয় হংকং থেকে একজন যিনি আপনাদের পক্ষ হয়ে খুব লেখালেখি করতেন তার মুখের কথা। যদি কেউ আপনাদের গালি দেয়, মন্দ কথা বলে সেক্ষেত্রে প্রথমে তাদের বুঝানোর চেষ্টা করেন আপনাদের যুক্তিটা তুলে ধরে নতুবা তাদের উপেক্ষা দিন। কিন্তু কোন অবস্থাতেই আপনারা বাজে শব্দ চয়ন করতে পারেন না। সেটা কাম্য নয়। আজ আপনাদের দেখে অনেক মা বাবা হয়তো তাদের মেয়েদের শ্রামণী হিসেবে দেখার স্বপ্ন দেখতে পারে কিন্তু এই রকম বিষয়গুলো দেখলে তারা পিছু হটবে। যে সকল শিক্ষিত রমণী আপনাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করছেন বা করার আশায় আছেন তারাও তাদের মুখ ফিরিয়ে নেবেন।

আপনাদের কাজ হোক নিজেদের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করে ধ্যান সমাধির চর্চা। আর তাতেই মানুষ বেশী খুশি হবে। আপনাদের মুখ দিয়ে যখন প্রত্যক্ষ জ্ঞানের দেশনা প্রকাশ পাবে তখন মানুষ আরো বেশী অনুপ্রাণিত হবে। আর যদি ফেইসবুকে বা নানা জায়গায় বাজে শব্দ চয়নের ফুলঝুরি প্রচার পেতে থাকে তবে সেদিন বেশী দুরে নয় কালের অতলগহবরে হারিয়ে যাবে অনেক কিছুই। অতএব , মাননীয় ভিক্ষুণীসংঘ সংযত হোন,- এটাই আহবান রইল।

Facebook Comments

বৌদ্ধদের আরো তথ্য ও সংবাদ পেতে হলে আমাদের ফেসবুক ফ্যান পেইজে লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন।: www.facebook.com/buddhisttimes

দি বুড্ডিস্ট টাইমস.কম একটি স্বতন্ত্র ইন্টারনেট মিডিয়া। এখানে বৌদ্ধদের দৈনন্দিন জীবনের বিষয়গুলোকেই তুলে আনার চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি যে কেহ লিখতে পারেন দি বুড্ডিস্ট টাইমস এ। দি বুড্ডিস্ট টাইমস এর সাথে লেখ-লেখিতে যুক্ত হতে চাইলে ব্যবহার বিধি ও নীতিমালা পড়ুন অথবা নিবন্ধন করুন
এখানে।

Short URL: http://thebuddhisttimes.com/?p=6006

উজ্জ্বল বড়ুয়া বাসু Posted by on May 22 2017. Filed under প্রবন্ধ, মুক্তমত. You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0. You can leave a response or trackback to this entry

You must be logged in to post a comment Login

Smiley face

সর্বশেষ টাইমস

Recent Posts: NivvanaTV covering Buddhist and Buddhist community in World, with weekly news, views, entertainment, and programs for all age.

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান

সুপ্রিয় চাকমা শুভ,রাঙামাটি সাম্প্রতিক পাহাড় ধস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৬০টি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বিদেশী দাতা সংস্থা দি স্যালভেশন আর্মী বাংলাদেশ। শুক্রবার (১৯ জানুয়ারী) সকালে বিলাইছড়ি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া প্রধান অতিথি হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের মাঝে আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন। […]

Photo Gallery

Top Downloads

Icon

The Buddhist Times Android apps 46.21 KB 54 downloads

...
Icon

অভিধর্ম্মার্থ সংগ্রহ 1.65 MB 1 downloads

গ্রন্থের নামানুসারে ইহা একটি অর্থ-সংগ্রহ...
Developed by Dhammabiriya
error: অনুগ্রহ করে কপি/পেস্ট মনোভাব পরিহার করি নিজে লেখার যোগ্যতা অর্জন করুন।