সারিপুত্র ও মৌদগল্যায়ন

Smiley face

sariputta_moggalaবৌদ্ধধর্মের প্রচার-প্রসারে অনেক রাজা, মন্ত্রী, শ্রেষ্ঠী, উপাসক-উপাসিকা, ভিক্ষু এবং ভিক্ষুণী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।তাঁদের কর্ম ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বৌদ্ধধর্মের ইতিহাসে তাঁরা এখনও অমর হয়ে আছেন। তেমনি বুদ্ধশিষ্য সারিপুত্র ও মৌদগল্যায়ন ছিল অন্যতম।

বুদ্ধ-প্রবর্তিত সঙ্ঘে সারিপুত্র ও মৌদগল্যায়নের অবস্থান ছিল শীর্ষে।তাঁরা ছিলেন বুদ্ধের অগ্রশ্রাবক।শ্রাবক শব্দের অর্থ হলো শিষ্য বা যিনি ধর্মীয় বিষয় শ্রবণ-ধারণ-পালন করেন।অতএব, অগ্রশ্রাবক হলো শিষ্যদের মধ্যে অগ্রগণ্য।বুদ্ধের ধর্ম শ্রবণ, ধারণ ও পালনে বুদ্ধশিষ্যদের মধ্যে সারিপুত্র ও মৌদগল্যায়ন অগ্রগণ্য ছিলেন।সারিপুত্র জ্ঞানে এবং মৌদগল্যায়ন ঋদ্ধিশক্তিতে সর্বশ্রেষ্ঠ ছিলেন।অগ্রশ্রাবক সারিপুত্র ধর্মসেনাপতি নামেও পরিচিত ছিলেন।ধর্ম দেশনার সময় সারিপুত্র বুদ্ধের ডানদিকে মৌদগল্যায়ন বাম দিকে বসতেন।তাই বুদ্ধের দক্ষিণ ও বাম হস্ত হিসেবে অভিহিত করা হতো।

সারিপুত্রের গৃহী নাম উপতিষ্য।সারি ব্রাহ্মণীর পুত্র ছিলেন বলে তাঁকে সারিপুত্র বলা হতো।তিনি নালন্দা ও ইন্দ্রশিলার মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত উপতিষ্য গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।কোনো কোনো তথ্যমতে, তিনি নালক নামক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।তিনি উপতিষ্য নামেও পরিচিত ছিলেন।সম্ভবত এটি ছিল তাঁর প্রকৃত নাম।কিন্তু পালি সাহিত্যে তাঁকে এ নামে অভিহিত করতে তেমন একটা দেখা যায় না।গ্রামের নামের সাথে ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির নামের সাদৃশ্য থেকে অনুমান করা যায় যে, তিনি সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ছিলেন।কিংবা তাঁদের বংশের নামেই গ্রামটি পরিচতি ছিল।তাঁর পিতার নাম জানা যায় না।তবে তিনি একজন উচ্চবংশীয় ব্রাহ্মণ ছিলেন বলে ধারণা করা হয়।সারিপুত্রের তিন ভাই ও তিন বোন ছিলেন।ভাইদের নাম ছিল চুন্দ, উপসেন এবং রেবত।বোনদের নাম ছিল চালা, উপচালা এবং শিশুপচালা।তাঁর সকল ভাই-বোন বৌদ্ধধর্মে দীক্ষিত হয়ে ভিক্ষু ও ভিক্ষুণী হন।সারিপুত্র খুবই প্রত্যুৎপন্নমতি ছিলেন।

অপরদিকে, মোগগলী ব্রাহ্মণীর পুত্র ছিলেন বলে মৌদগল্যায়নকে মোগগলীপুত্র বলা হতো।তিনি সারিপু্ত্রের জন্মদিনে রাজগৃহের কোলিত নামক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।তাঁর পিতা ছিলেন সে-গ্রামের প্রধান ব্যক্তিত্ব।সম্ভবত তাঁর বংশের নামে গ্রামটির নামকরণ করা হয়েছিল।গ্রামের ঐতিহ্যসম্পন্ন কুল বা বংশের পুত্র ছিলেন বলে তাঁকে কোলিত নামেও ডাকা হতো।

সারিপুত্রের পরিবারের সঙ্গে মৌদগল্যায়নের পরিবারের দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক ছিল।ফলে তাঁরা দুজনেই ছেলেবেলা থেকে পরম বন্ধু ছিলেন।দুজনে বাস করতেন পাশাপাশি দুটি গ্রামে।তাঁরা প্রচুর ধনসম্পদের অধিকারী ছিলেন।

একদিন দুই বন্ধু একত্রে একটি নাটক দেখতে যান।নাটক দেখে তাঁদের মনে বৈরাগ্য ভাব জাগ্রত হয়।তাঁরা সংসার জীবনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে সংসার ত্যাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।অতঃপর গৃহত্যাগ করে তাঁরা সঞ্জয় বেলটঠপু্ত্রের শিষ্যত্ব বরণ করেন।সঞ্জয় বেলটঠপুত্র ছিলেন একজন পরিব্রাজক ব্রাহ্মণ।অল্প দিনের মধ্যে তাঁরা গুরুর কাছ থেকে সব বিদ্যা লাভ করতে চাই, যা লাভ করলে বারবার জন্ম দুঃখ, ব্যাধি দুঃখ, মৃত্যু দুঃখ প্রভৃতি ভোগ করতে হবে না।গুরু সঞ্জয় বেলটঠপুত্র এ প্রশ্নের কোনো উত্তর না দিয়ে নীবর থাকেন।তিনি ছিলেন মূলত ‘বিক্ষেপবাদী’ বা ‘সংশয়বাদী’।এ মতবাদীরা কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে পারেন না, সর্বদা ইতস্তত অবস্থায় থাকেন।অতঃপর, সারিপুত্র ও মৌদগল্যায়ন সমগ্র জম্বুদ্বীপ পরিভ্রমণ করে বিভিন্ন পণ্ডিত ব্যক্তির সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করতে থাকেন।কিন্তু কারো নিকট সন্তোষজনক উত্তর ও মুক্তিপথের সন্ধান পেলেন না।তাপর তাঁরা দুজন দুই পথে যাবার সিদ্ধান্ত নেন এবং প্রত্যাশিত পথপ্রদর্শক গুরুর সন্ধান পেলে একে অপরকে জানাবেন – এরূপ প্রতিজ্ঞবদ্ধ হয়ে দুজন দিকে যাত্রা করেন।

যাত্রার কিছুদিন পর সারিপুত্র রাজগৃহে বিচরণ করছিলেন।সেখানে একদিন বুদ্ধের শিষ্য অশ্বজিৎ ভিক্ষান্ন সংগ্রহ করছিলেন।এমন সময় অশ্বজিৎ এর সঙ্গে সারিপুত্রের দেখা হয়।অশ্বজিৎ এর সৌম্য চেহারা দেখে সারিপুত্র মুগ্ধ হন।তিনি অশ্বজিৎকে জিজ্ঞেস করেন, ভন্তে, আপনি কার শিষ্য?আপনার শাস্তা কে? তিনি কোন বাদী?অশ্বজিৎ বলেন, শাক্যবংশীয় মহাশ্রমণ গৌতম সম্যক সম্বুদ্ধ আমার গুরু।সারিপুত্র তখন বুদ্ধের ধর্মমত জানতে চান।তখন অশ্বজিৎ তাঁকে বুদ্ধভাষিত একটি গাথা বলেন।গাথাটির মর্মবাণী হলো : পৃথিবীর সকল কিছুর উৎপত্তির সাথে কারণ নিহিত থাকে।কারণ ছাড়া কেনো কিছুই উৎপন্ন হয় না।বুদ্ধ বলেছেন, সেই কারণেরও নিরোধ আছে।পরম নির্বাণ লাভের মাধ্যমেই এই শান্তি অর্জিত হয়।অতপর সারিপুত্র গিয়ে মৌদগল্যায়নকে বিষয়টি জ্ঞাত করেন।সারিপুত্রের কাছে মৌদগল্যায়ন গাথাটি শ্রবণ করে স্রোতাপত্তি ফল লাভ করেন।অতঃপর তাঁরা বুদ্ধের কাছে যাওয়ার জন্য স্থির করেন।সারিপুত্র কৃতজ্ঞতাস্বরূপ গুরু সঞ্জয় বেলটঠপুত্রকেও বুদ্ধের কাছে নিয়ে যেতে ইচ্ছা পোষন করলেন।কিন্তু অনেক অনুনয় করার পরও বুদ্ধের কাছে যেতে রাজি হলেন না।তখন সারিপুত্র ও মৌদগল্যায়ন সঞ্জয় বেলটঠপুত্রের পাঁচশত শিষ্যসহ বুদ্ধের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।এতে সঞ্জয় বেলটঠপুত্র অত্যন্ত দুঃখিত ও ক্ষুব্দ হলেন।সে সময় বুদ্ধ সারনাথে ‘ধর্মচক্র পা্রবর্তন সূত্র’ দেশনা করে রাজগৃহের বেণুবন আরামে সশিষ্য বসবাস করছিলেন।

সারিপুত্র ও মৌদগল্যায়ন অনুগামীদের নিয়ে রাজগৃহে বুদ্ধের সমীপে পৌঁছলেন।এ সময় বুদ্ধ শিষ্যদের ধর্মদেশনা করছিলেন।বুদ্ধ দূর থেকে তাঁদের আসতে দেখেন এবং দিব্য জ্ঞানে তাঁদের অভিলাষ জ্ঞাত হলেন।বুদ্ধ তাঁদের ভিক্ষু ধর্মে দীক্ষিত করলেন।সারিপুত্র ও মৌদগল্যায়ন ব্যতীত অনুগামীগণ দীক্ষাস্থলেই অর্হত্ব ফল লাভ করলেন।দীক্ষিত হওয়ার সাত দিনে মৌদগল্যায়ন এবং পনেরো দিনে সারিপুত্র অর্হত্ব ফলে উন্নীত হন।দীক্ষার দিন ভিক্ষু-ভিক্ষুণী সমাবেশ বুদ্ধ সারিপুত্র এবং মৌদগল্যায়নকে অগ্রশ্রাবক হিসেবে ঘোষণা করে পাতিমোক্ষ দেশনা করেন।এই পদ লাভের জন্য তাঁদেরও জন্মজন্মান্তরের সাধনা ছিল।বুদ্ধের ভিক্ষুসঙ্ঘের মধ্যে আশিজন মহাশ্রাবক ছিলেন।তাঁদের মধ্যে এ দুজন ছিলেন অগ্রশ্রাবক।

সারিপুত্র ছিলেন মহাপ্রজ্ঞাবান।তাঁর পাণ্ডিত্য ছিল অসাধারণ।বুদ্ধের সংক্ষিপ্ত ভাষণগুলো তিনি অত্যন্ত সুন্দর ও সরল ভাষায় ব্যাখ্যা করতে পারতেন।সারিপুত্রের প্রধা্ন উপদেশ হলো ; “মানুষ মরণশীল।যে-কোনো সময় মানুষের মৃত্যু হতে পারে।তাই শীলাদি ধর্ম পরিপূর্ণ কর।যথাসময়ে ধর্ম শ্রবণ কর।দুঃখে পতিত হয়ে বিনাশ প্রাপ্ত হয়ো না।শত্রুর ভয়ে নগরের ভিতর-বাহির যেমন সুরক্ষিত করা হয়, তেমনি নিজেকে সুরক্ষিত করে সর্বপ্রকার পাপ হতে মুক্ত রাখো।যারা শীলাদি পালন করে না, যথাসময়ে ধর্ম শ্রবণ করে না, তারা নরকে পতিত হয়ে শোক করে থাকে।”

মৌদগল্যায়ন ছিলেন ঋদ্ধিশক্তিতে অদ্বিতীয়।প্রজ্ঞায় সারিপুত্রের পরে ছিল তাঁর স্থান।এই ঋদ্ধিশক্তিই ছিল তাঁর অফুরন্ত কর্মশক্তির উৎস।ঋদ্ধিবলেই তিনি স্বর্গ, মর্ত্য, পাতাল এই ত্রিভুবন ঘুরে ঘুরে বুদ্ধের ধর্মপ্রচার করতেন।এমনকি নরকে গিয়ে নারকীয় দুঃখ দেখে এসে অন্যদের কাছে উপদেশ দিতেন।এজন্য তার দেশনা ছিল সবসময় চিত্ত্গ্রাহী।তাঁর দেশনায় নতুন নতুন বিষয় যেমন উপস্থাপিত হতো তেমনি পরিবেশন করা হতো সরল ও প্রাঞ্জল ব্যাখ্যায়।

অর্হত্ব ফলে উন্নীত হয়ে মৌদগল্যায়ন তাঁর অনুগামী ভিক্ষুদের উদ্দেশ্যে গাথায় তাঁর অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।এতে তাঁর জীবনের অর্জিত অভিজ্ঞতাও নানাভাবে প্রকাশ পেয়েছে।তাঁর ভাষিত কয়েকটি গাথার সারমর্ম এখানে তুলে ধরা হলো : “এ দেহ অশুচি, দুগন্ধপূর্ণ, বিষ্ঠা ও কৃমিকুলের আধার।এ দেহের প্রতি কেন মমতা করছ? শরীরের নয় দ্বার দিয়ে দিবারাত অশুচি নির্গত হচ্ছে।বিষ্ঠা দেখে যেমন সবাই এড়িয়ে চলে, তেমনি ভিক্ষুগণ এই অশুচিপূর্ণ দেহকে বর্জন করে।”

সারিপুত্র ও মৌদগল্যায়ন এই দুই অগ্রশ্রাবক বুদ্ধের পূর্বে পরিনির্বাণ লাভ করেন।সারিপুত্রের পনেরো দিন পর মৌদগল্যায়ন পরিনির্বাণ লাভ করেন।অর্হত্ব ফলে অধিষ্ঠিত ছিলেন বলে তাঁরা তাঁদের মৃত্যু সম্পর্কে জ্ঞাত ছিলেন।তাই পরিনির্বাণের পূর্বে যথাসময়ে তাঁরা বুদ্ধকে বন্দনা করে যথাপোযুক্ত স্থানে পরিনির্বাণের অনুমতি গ্রহণ করেছিলেন।সারিপুত্র থের নির্বাণপ্রাপ্ত হন নিজ জন্মস্থানে মাতৃগৃহে।মৌদগল্যায়ন থের কৃতকর্মের ফলে কালশৈল পর্বতে ঘাতক কর্তৃক আক্রান্ত হয়ে নির্বাণ লাভ করেন।কারণ অতীতজন্মে তিনি তাঁর স্ত্রীর প্ররোচনায় বয়োবৃদ্ধ অন্ধ পিতামাতাকে গভীর বনে জন্তু-জানোয়ারের সামনে মৃত্যুর মুখে ফেলে এসেছিলেন।পরিণতিতে তাঁকেও এভাবে মৃত্যুবরণ করতে হলো।মৌদগল্যায়নের পবিত্র দেহধাতু বুদ্ধের নির্দেশে বিণুবন বিহারের পূর্বদ্বারে রাখা হয়।শ্রেষ্ঠী অনাথপিণ্ডিক তথাগত বুদ্ধের অনুমিত নিয়ে সারিপুত্রের দেহভস্মের ওপর শ্রাবস্তীতে এক স্তূপ নির্মাণ করেছিলেন।এই দুই অগ্রশ্রাবক প্রাঞ্জল ভাষায় বুদ্ধবাণী ব্যাখ্যা করতে পারতেন।মহৎ কর্মের জন্য বৌদ্ধধর্মের ইতিহাসে তাঁরা অমর হয়ে আসেন।

তথাগত বুদ্ধের অগ্রশ্রাবক সারিপুত্র ও মৌদগল্যায়নের জীবন-চরিত পাঠে আমরা এই শিক্ষা লাভ করতে পারি যে, একাগ্রতা ও অধ্যাবসায় থাকলে অবশ্যই মানুষ অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছুতে পারে এবং মানুষের জীবনের কোনো কর্মই বৃথা যায না।ভালো বা মন্দ কর্মের জন্য যথোপযুক্ত ফল রয়েছে। যেমন অতীত কর্মের জন্য মৌদগল্যায়নকে ঘাতকের হাতে মৃত্যু বরণ করতে হয়েছে।তাই গোপনে বা কারো দ্বারা প্ররোচিত হয়ে কখনোই কোনো মন্দ কাজ করা উচিত না।

Facebook Comments

বৌদ্ধদের আরো তথ্য ও সংবাদ পেতে হলে আমাদের ফেসবুক ফ্যান পেইজে লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন।: www.facebook.com/buddhisttimes

দি বুড্ডিস্ট টাইমস.কম একটি স্বতন্ত্র ইন্টারনেট মিডিয়া। এখানে বৌদ্ধদের দৈনন্দিন জীবনের বিষয়গুলোকেই তুলে আনার চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি যে কেহ লিখতে পারেন দি বুড্ডিস্ট টাইমস এ। দি বুড্ডিস্ট টাইমস এর সাথে লেখ-লেখিতে যুক্ত হতে চাইলে ব্যবহার বিধি ও নীতিমালা পড়ুন অথবা নিবন্ধন করুন
এখানে।

Short URL: http://thebuddhisttimes.com/?p=4945

ধম্মবিরীয় ভিক্ষু Posted by on Apr 20 2017. Filed under জীবনী, থের. You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0. You can leave a response or trackback to this entry

You must be logged in to post a comment Login

Smiley face

সর্বশেষ টাইমস

Recent Posts: NivvanaTV covering Buddhist and Buddhist community in World, with weekly news, views, entertainment, and programs for all age.

কাতালগঞ্জ নবপন্ডিত বিহার আধুনিকায়ন ও সংলগ্ন সড়কটি বিশুদ্ধানন্দ মহাথেরোর নামকরণ করা হবেঃ মেয়র

কাতালগঞ্জ নবপন্ডিত বিহার আধুনিকায়ন ও সংলগ্ন সড়কটি বিশুদ্ধানন্দ মহাথেরোর নামকরণ করা হবেঃ মেয়র

সংঘনায়ক শুদ্ধানন্দ মহাথেরোর গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, চকবাজার কাতালগঞ্জস্থ নবপন্ডিত বিহারের আধুনিকায়নে আমার পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগিতা থাকবে। বিহারের অবকাঠামো উন্নয়নে যা যা করা প্রয়োজন আমি সার্বিক সহায়তা প্রদান করবো। তাছাড়া বিহার সংলগ্ন সড়কটি বিশুদ্ধানন্দ মহাথেরোর নামে নামকরণের জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে আমি […]

Photo Gallery

Top Downloads

Icon

The Buddhist Times Android apps 46.21 KB 54 downloads

...
Icon

অভিধর্ম্মার্থ সংগ্রহ 1.65 MB 1 downloads

গ্রন্থের নামানুসারে ইহা একটি অর্থ-সংগ্রহ...
Developed by Dhammabiriya
error: অনুগ্রহ করে কপি/পেস্ট মনোভাব পরিহার করি নিজে লেখার যোগ্যতা অর্জন করুন।